1. aknannu@newsabtv.com : Ak Nannu : Ak Nannu
  2. gmsobuj@newsabtv.com : GM Sobuj : GM Sobuj
  3. bongshaiit@gmail.com : siteadmin :
★দেব দর্শন★ - News ABTV
সোমবার, ২৫ অক্টোবর ২০২১, ১২:৪৩ পূর্বাহ্ন
আক্রান্ত

১,৫৬৭,৬৯২

সুস্থ

১,৫৩১,৩২৭

মৃত্যু

২৭,৮২৩

  • জেলা সমূহের তথ্য
  • ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২,৭১৪
  • বরগুনা ১,০০৮
  • বগুড়া ৯,২৪০
  • চুয়াডাঙ্গা ১,৬১৯
  • ঢাকা ১৫০,৬২৯
  • দিনাজপুর ৪,২৯৫
  • ফেনী ২,১৮০
  • গাইবান্ধা ১,৪০৩
  • গাজীপুর ৬,৬৯৪
  • হবিগঞ্জ ১,৯৩৪
  • যশোর ৪,৫৪২
  • ঝালকাঠি ৮০৪
  • ঝিনাইদহ ২,২৪৫
  • জয়পুরহাট ১,২৫০
  • কুষ্টিয়া ৩,৭০৭
  • লক্ষ্মীপুর ২,২৮৩
  • মাদারিপুর ১,৫৯৯
  • মাগুরা ১,০৩২
  • মানিকগঞ্জ ১,৭১৩
  • মেহেরপুর ৭৩৯
  • মুন্সিগঞ্জ ৪,২৫১
  • নওগাঁ ১,৪৯৯
  • নারায়ণগঞ্জ ৮,২৯০
  • নরসিংদী ২,৭০১
  • নাটোর ১,১৬২
  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ ৮১১
  • নীলফামারী ১,২৮০
  • পঞ্চগড় ৭৫৩
  • রাজবাড়ী ৩,৩৫২
  • রাঙামাটি ১,০৯৮
  • রংপুর ৩,৮০৩
  • শরিয়তপুর ১,৮৫৪
  • শেরপুর ৫৪২
  • সিরাজগঞ্জ ২,৪৮৯
  • সিলেট ৮,৮৩৭
  • বান্দরবান ৮৭১
  • কুমিল্লা ৮,৮০৩
  • নেত্রকোণা ৮১৭
  • ঠাকুরগাঁও ১,৪৪২
  • বাগেরহাট ১,০৩২
  • কিশোরগঞ্জ ৩,৩৪১
  • বরিশাল ৪,৫৭১
  • চট্টগ্রাম ২৮,১১২
  • ভোলা ৯২৬
  • চাঁদপুর ২,৬০০
  • কক্সবাজার ৫,৬০৮
  • ফরিদপুর ৭,৯৮১
  • গোপালগঞ্জ ২,৯২৯
  • জামালপুর ১,৭৫৩
  • খাগড়াছড়ি ৭৭৩
  • খুলনা ৭,০২৭
  • নড়াইল ১,৫১১
  • কুড়িগ্রাম ৯৮৭
  • মৌলভীবাজার ১,৮৫৪
  • লালমনিরহাট ৯৪২
  • ময়মনসিংহ ৪,২৭৮
  • নোয়াখালী ৫,৪৫৫
  • পাবনা ১,৫৪৪
  • টাঙ্গাইল ৩,৬০১
  • পটুয়াখালী ১,৬৬০
  • পিরোজপুর ১,১৪৪
  • সাতক্ষীরা ১,১৪৭
  • সুনামগঞ্জ ২,৪৯৫
ন্যাশনাল কল সেন্টার ৩৩৩ | স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ | আইইডিসিআর ১০৬৫৫ | বিশেষজ্ঞ হেলথ লাইন ০৯৬১১৬৭৭৭৭৭ | সূত্র - আইইডিসিআর | স্পন্সর - একতা হোস্ট

★দেব দর্শন★

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : শনিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ১৩৩ জন দেখেছেন

-শাওন সেন
পর্বঃ-০১

শৈত্য প্রবাহিত হইতেছিল। সর্বাঙ্গ ক্রমান্বয়ে ঠান্ডা হইয়া আসিতেছিল। উত্তর জানালা দিয়া হু,,,,হু করিয়া বায়ু প্রবাহিত হইতেছিল। গগনে কিঞ্চিত সূর্যালোক ঝলকানি খাইতেছিল। পশ্চিম থেকে হিমশীতল বায়ু সজোরে প্রবাহিত হইবার উদযোগ করিয়া মৃদু সূর্যালোকের সহিত তুমুল যুদ্ধ বাধাইয়া দিয়াছিল। ক্ষণকাল পরে ব্যর্থ হইয়া সমীরণ সেই যাত্রা পরিহার করিল। তথাপি আদ্র বায়ুতে ধরিত্রি কুয়াশাচ্ছন্ন হইয়া গেল। এত বড় ঝড় ঝঞ্চার পরে ও নিখিলের গায়ে রোমাঞ্চের শিহরণ জাগিয়া রুধি উত্তপ্ত হইয়া উঠিল। তাঁহার সর্বাঙ্গ থেকে বৃষ্টির ন্যায় ঘর্ম ঝরিতেছে! ভীষণ শৈত্য প্রবাহের পরও নিখিলের এমত অবস্থার কারন হইল, হিমাদ্রি সহসা বলিয়া উঠিল,”না,,,,,!আমার কিছুই বলার নাহি! এক্ষুনি তোমার সম্মুখ হইতে বিদায় লইতেছি।”

কেন হিমাদ্রি বিদায় লইবে, কেনই বা তাহার বিদায়ে নিখিলের রুধি উত্তপ্ত হইয়া সর্বাঙ্গে শিহরণ জাগিবে তাহার বিবরণ না লিখিয়া পাঠকদিগকের মনের উৎকর্ষ সাধন করিতে পারিব না বলিয়া বোধ করিতেছি। তাই এই দুটি নর নারীর সম্পূর্ণ বিবরণ পরিপুষ্ট করিয়া পরিস্ফুটন করিতে ইচ্ছা বোধ করিয়াছি,,,,!!!

বৎসর কয়েক (দশ কি বার হইতে পারে) আগের কথা, নিখিলের সহিত হিমাদ্রির সাক্ষাত হয়। তখন উহারা বালক বালিকা বলিয়াই গন্য হইয়াছিল। তথাপি তাহাদের মধ্যকার কেমন যেন একটা সম্পর্ক জন্মিয়া উঠিল। ক্রমান্বয়ে উহা গাঢ় হইতে গাঢ়তর হইয়া উঠিল। তাহারা পরস্পর পরস্পরের ঘনিষ্ট সখ্য হইয়া উঠিল। একসঙ্গে ভোরে স্কুলে বাহির হইয়া থেকে শুরু করিয়া গোধুলিতে আপন আলয়ে ফিরিবার পূর্ব পর্যন্ত উহারা হাতে হাত রাখিয়া চলিত।
কখনও বা উহাদের মধ্যে খুনসুটিও বাধিয়া যাইত। তবে তাহা হাস্য করিয়া উড়াইয়া দিবার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করিয়া অবশেষে সাফল্য লাভ করিত। কবিগুরু ‘র ভাষায় “বাদ প্রতিবাদ কথায় চলে কিন্তু হাসির উপর তর্ক চলে না” উহাদের মধ্যে এই কথাটি শতভাগ সত্য বলিয়া গন্য হইত।

কোন একদিন তাহারা বিদ্যালয় পালায়ন করিয়া নিকটস্থ ভগ্ন ক্ষুদ্র দেবালয়ে আশ্রয় লইল। তথায় একখানি পুরাতন বিষ্ণু মূর্তি রক্ষিত আছিল। উহারা তাঁহাকে সশ্রদ্ধ প্রণতি নিবেদন করিয়া বিড়বিড় করিয়া কি যেন বলিয়া গেল। উহাদের বিড়বিড় শুনিয়া দেবাদিদেব শ্রী বিষ্ণু যেন উহাদের প্রতি স্থির নেত্রে অবিরাম দৃষ্টি বর্ষণ করিতেছেন!
শ্রী বিষ্ণুর সহিত উহাদের শুভদৃষ্টি বিনিময় হইয়া গেল। পরক্ষনেই উহারা আলাপ জুড়িয়া দিল। নানান কথা বলিতে বলিতে সহসা একখানি মধুর বাক্য হিমাদ্রি’র বদন হইতে উদগিরিত হইল। বাক্যটি এমন নহে যাহা শুনিয়া প্রজাপতি সন্তুষ্ট হইবেন বরং বাক্যটি শুনিলে সর্বাগ্রে মহাদেব ক্রোধান্বিত হইয়া তিনি তাঁহার ডুগি বাজাইয়া প্রলয় নৃত্যে মত্ত হইবেন। এমন একটি বাক্যকে মধুর বলিয়া ভূল করিয়াছি সেইরুপ সন্দেহ আমার মনে বিন্দুমাত্র নেই। হয়তো আপনাদের মনেও উহা গুঢ়তর রহস্য রচনা করিতে সক্ষম হইবে। হিমাদ্রি যে কি কহিয়াছিল তাহা এখানেই রাখিয়া দেই। যদি সেই বাক্যটি বলিয়া দেই তাহা হইলে ধর্মতত্ত্ববেত্তা ও বিজ্ঞান তত্ত্ববেত্তাদের ভিতর তুমুল সংঘাত বাধিয়া যাইবে। তাই কথাটি রাখিয়া দিলাম!

ইতিমধ্যে উহাদের দৃষ্টি অন্য কারো সহিত বিনিময় হইতেছিল। তিনি রাগান্বিত হইয়া চক্ষে যেন অগ্নিবর্ষণ হইতেছিল! উহারা দেবাদিদেবর সহিত যেমন শুভ দৃষ্টি বিনিময় করিতেছিল এক্ষণে ঠিক তদরুপ সমপরিমাণ অশুভ দৃষ্টি এই পরিচিত ব্যক্তির সহিত বিনিময় হইতেছেএই ব্যক্তিটি অন্যকেহ নহে,তিনি স্বয়ং অত্রবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ধীরেন্দ্র নাথ মহাশয়!
মাস্টার মশায় নিজে বিচারক হইয়া তাঁহার কার্যালয়কে এজলাস বানাইয়া উহাদের বিচার কার্য সম্পন্ন করিলেন। সকল তথাদি সংগ্রহ করিয়া তাহা উহাদের পিতার নিকট পাঠাইয়া দিলেন।
হিমাদ্রির পিতাশ্রী নিরঞ্জন বাবু সম্পূর্ণরুপে রক্তবর্ণে রঞ্জিত হইয়া কঠিন এক সিদ্ধান্ত গ্রহন করিলেন। হিমাদ্রির অধ্যায়নে বিচ্ছেদ ঘটাইয়া আপন সম্মান পাড়া গায়ে রটাইয়া গ্রাম ছাড়িয়া চলিয়া যাইতে উদযোগ গ্রহন করিয়াছেন। হঠাৎ কোন একদিন তাহার মাথায় দেশান্তরির সিদ্ধান্তও জাগ্রত হইয়াছিল। কিন্তু মা ও মাটির প্রতি সুগভীর ভালবাসার টানে তাহা নিরর্থক হইয়া গেল। হিমাদ্রি যেন কিছুটা শান্তি পাইল। সে ভাবিল একই মা মাটিতে তো থাকিব তাহার উপর যদি আমাদের ভালবাসা গভীর হইয়া থাকে তবে দৈবাৎ কস্মিনকালে আমাদের সাক্ষাৎ ঘটিয়া যাইতে পারে। গ্রামান্তর হইবার পূর্বে হিমাদ্রি নিখিল কে একখানি চিঠি লিখিল। তাহার শেষটা এরকম:-
“আমি তোমার কাছে ফিরিয়া আসিব। যদি আমার স্থানটি আমার বলিয়া বোধ হয় তাহা হইলে স্বীয় স্থান আরোহণ করিব,ইহাতে তুমি বাধা দিতে পারিবে না।”

হিমাদ্রি আগামীকাল গ্রামান্তর হইবে। তাই সে গ্রামান্তরের পূর্বে নিখিল কে দেখিবার আগ্রহ প্রকাশ করিল। যথারীতি গভীর রাত্রে নিখিল হিমাদ্রির জানালায় আসিল। উহারা কিছু কথা বলিতে উদযোগী হইয়াছিল মাত্র অমনি নিরঞ্জন বাবু কি যেন দুঃস্বপ্ন দেখিয়া চিৎকার করিয়া উঠিল “হিমাদ্,,,, রী,,,
নিখিল অন্ধকারের সহিত মিলিয়া গেল। হিমাদ্রীর জানালা চিরতরে বন্ধ হইল!!!
পর্ব-০২

ভোরের সূর্য উঁকি মারিতেছিল। নিখিল সেই ভগ্ন ক্ষুদ্র দেবালয়ে রাত্রে শয্যা গ্রহন করিয়াছিল। প্রভাত রবির রক্ত আভায় তাহার মুখমন্ডল উজ্জ্বল হইয়া উঠিল। মৃদু তাপে তাহার ভালই লাগিতেছিল। সহসা সৌর তাপ তীব্র হইতে আরম্ভ করিল। তাহার ঘুম ভাঙিয়া গেল। আঙুলি বুলাইতে বুলাইতে অনিমেষ নেত্র মেলিয়া পথের পানে চাহিয়াছে মাত্র অমনি যেন তাহার চক্ষু রক্তবর্ণ হইয়া অশ্রুসিক্ত হইয়া উঠিল। মস্তিষ্কে যেন রক্তপ্রবাহ বহুগুণ বাড়িয়া গেল! তাহার সর্বাঙ্গ উষ্ণ রক্তে শিহরিত হইয়া থরথর করিয়া কাঁপিতে লাগিল। হঠাৎ করিয়া নিখিল ভগ্ন মন্দিরের এক ক্ষুদ্র ভগ্ন প্রস্হর খন্ডের উপর পড়িয়া গেল। মাথা ফাটিয়া রুধিধারা শ্রী বিষ্ণুর চরণ পর্যন্ত পৌঁছাইল। নিখিল সংজ্ঞা হারাইল! হিমাদ্রী সহসা ছুটিয়া আসিতে উদ্যত হইয়া উচ্চস্বরে চিৎকার করিয়া উঠিল নিখিইইইইইইইইল,,,! অমনি নিরঞ্জন বাবু হিমাদ্রীর হাত ধরিয়া ফেলিল। নিষ্ফল হইয়া হিমাদ্রী আয়ত লোচন সিক্ত করিয়া পিতার সহিত পথ চলিতে চলিতে গ্রামান্তর হইয়া গেল!

কয়েক বছর পর…….

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ সম্পর্কিত অরো সংবাদ

বিশ্বে করোনা ভাইরাস

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
১,৫৬৭,৬৯২
সুস্থ
১,৫৩১,৩২৭
মৃত্যু
২৭,৮২৩
সূত্র: আইইডিসিআর

বিশ্বে

আক্রান্ত
২৪২,৯৯৩,৯৭৭
সুস্থ
মৃত্যু
৪,৯৪০,৪৪৭
কপিরাইট © ২০২১ নিউজএবিটিভি এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত |
Developed By Bongshai IT